অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন ২০২৫ (আপডেট)

অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন

Table of Contents

অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন

সরকারি চাকরিজীবীদের লোন সুবিধা এবং সরকারি কর্মচারীদের হাউজ বিল্ডিং লোন সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তাহলে একদম জায়গা মত এসেছেন। আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে এই বিষয়গুলো নিয়ে। এ ছাড়া আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি আরো জানতে পেরে যাবেন সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ব্যাংক এর লোন সম্পর্কে। 

সরকারি কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীরা চাইলে খুব সহজেই ব্যাংকের মাধ্যমে হাউজ বিল্ডিং লোন নিয়ে তাদের স্বপ্নের বাড়ির নির্মাণ করতে পারবেন।  সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন সময়ে লোন নেওয়ার প্রয়োজন হয়। আপনি যদি একজন সরকারি চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে জানতে হবে সরকারি কর্মচারীদের হাউজ বিল্ডিং লোন যা আপনি জানতে পারবেন আজকের আর্টিকেলে।

বাংলাদেশ সরকার অধীনে যতগুলো অধিদপ্তর রয়েছে সেখানে কর্মরত চাকরিজীবীরা বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের চাহিদা ও প্রয়োজনের ধরণ অনুযায়ী অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন খুব সহজে লোন নিতে পারবে। শুধুমাত্র কিছু কাগজপত্র এবং এর সঙ্গে কাজে নিযুক্ত কলিগকে জমিদার হিসেবে রাখার মাধ্যমে লোন পাস হয়।

অগ্রণী ব্যাংক সরকারি কর্মচারী কিংবা কর্মকর্তাদেরকে লোন দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সাহায্য করার জন্য বদ্ধপরিকর ভূমিকা রাখে। সরকারি চাকরিজীবীরা তাদের বাসা বাড়ি তৈরি করতে এবং পার্সোনাল লোন নিতে পারবে। এ ধরনের লোনগুলো নেয়ার জন্য অবশ্যই কিছু পদ্ধতি এবং পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে।

অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন পেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অগ্রণী ব্যাংক লোন পদ্ধতি অনুযায়ী আবেদনকৃত ব্যক্তি অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারের অধীনে যে কোন দপ্তর স্থায়ীভাবে নিযুক্ত হতে হবে। লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দরকার পড়বে তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

আরও পড়ুন>>> অগ্রণী ব্যাংক লোন ২০২৫ (আপডেট)

  • সর্বপ্রথম নিকটস্থ অগ্রণী ব্যাংকের শাখাতে গিয়ে আবেদন ফরম সংরক্ষণ করতে হবে। আবেদন ফরম এর যে সকল তথ্যগুলো দিতে বলছে সেগুলো অবশ্যই যথার্থভাবে পূরণ করতে হবে।
  • আবেদনের ফরমের সাথে প্রয়োজন পড়বে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
  • যে কারণে আপনি লোন নিচ্ছেন অবশ্যই সেখানে সে বিষয়টা উপর প্রমাণপত্র দিতে হবে।
  • আবেদন করার সময় আপনার চাকরির সনদ দিতে হবে। অর্থাৎ স্ট্যাটাস গ্রুফ।
  • সেলারি সিট দেখাতে হবে অর্থাৎ মাসিক যে বেতন পায় সেই সংক্রান্ত বেতনের দলিলপত্র।

উপরে যে সকল কাগজপত্রের কথা উল্লেখ করা আছে এই কাগজপত্র গুলো নিয়ে নির্দিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিশ্লেষণ করে আপনি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কিনা সেটা আপনাকে জানিয়ে দেবে। তারপর আপনি অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন পাবেন।

অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন এর সুবিধা

প্রতিটা সরকারি চাকরিজীবীদের লোন নেওয়া একটি স্বপ্ন হয়ে দাড়িয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের জীবনকে এই লোন ব্যবস্থা একটি আর্থিক সাহায্য হিবেসে কাজে আসে। প্রতিটা সরকারি কর্মকর্তাদের পরিস্থিতি অনুসারে মূল লাভের হার এবং মেয়াদের সাথে সহায়ক । নিম্নলিখিত কিছু সুবিধা সকল সরকারি চাকরিজীবী লোন গ্রহণকারীদের জন্য রয়েছে।

মেয়াদ: অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন এর মেয়াদ ১ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, আপনি নির্ধারণ করতে পারেন কতটুকু সময়ে তা পরিশোধ করতে পারেন। 

লোনের পরিমাণ: আপনি অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন র মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত লোন নিতে পারেন। এই লোনের পরিমাণ আপনার আর্থিক প্রয়োজনীয়তা এবং আপনার মূল লাভের হার নির্ভর করে।

সুদের হার: অগ্রণী ব্যাংকের সরকারি চাকরিজীবী লোনের সুদের হার ৮% থেকে ৯.৫% পর্যন্ত হতে পারে, যা আপনার লোনের মূল লাভ মোট পরিমাণ নির্ধারণ করে।

সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে যে লোন সুবিধা গুলো আছে তার ভিতরে একটি অন্যতম হচ্ছে ঋণ গ্রহণের পর একটা দীর্ঘমেয়াদি সময় পেয়ে থাকে ঋণ পরিশোধ করার জন্য। যেখানে অন্য সাধারণ ব্যাক্তি যদি ঋণ দিন গ্রহণ করে সেক্ষেত্রে ঋণ পরশুদের সময় কম পেলেও একজন সরকারি চাকরিজীবী ঋণ পরিশোধ করার জন্য সুযোগ পেয়ে থাকে ২০ বছর পর্যন্ত।

পিআরএল পর্যন্ত প্রতিমাসেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যদি পরিষদ করার সুযোগ রয়েছে। এর মানে হচ্ছে ঋণ গ্রহীতার ব্যাংক একাউন্ট থেকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে কিস্তি ব্যবহার টাকা অটোমেটিকলি কেটে নেবে। তবে হ্যাঁ এক্ষেত্রে ঋণ নেওয়ার প্রথমেই যে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহন করবে সেখানে ইএফটির বিষয়টি সম্পন্ন করে নিতে হবে।

অগ্রণী ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী লোন

বাংলাদেশের অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মতো অগ্রণী ব্যাংকও অবসরপ্রাপ্ত সকারী চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধা চালু করেছেন। তবে বয়স সীমা সর্বোচ্চ ৬৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ঋণ প্রকল্পের আওতায় একজন অবসরপ্রাপ্ত সকারী চাকরিজীবী সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।

আপনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবি হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে আপনি অগ্রণী ব্যাংক থেকে অবসরপ্রাপ্ত “অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন’’  গ্রহন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে যে লোন বরাদ্দ রয়েছে সেই সেবা নিতে হলে প্রয়োজনীয় রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে যেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

  • যে কোন সরকারি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী
  • আবেদনকারীর বয়স সর্বোচ্চ ৬৫ বছর বা তার কম।
  • সুদের হার ৯ শতাংশ (পরিবর্তন যোগ্য)
  • ৫ বছর মেয়াদে পরিশোধযোগ্য।
  • সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা ঋণ সুবিধা।
  • ব্যাক্তিগত গ্যারান্টার প্রয়োজন।

অগ্রণী ব্যাংক ঋণের গ্যারান্টার’ হওয়ার আগে যা জানা প্রয়োজন

জামিনদার হওয়ার ক্ষেত্রে আগে কেবল স্বাক্ষর প্রয়োজন হলেও এবছর আগস্টে জামিনদারের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ নেয়া বাধ্যতামূলক করে সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এছাড়াও ঋণ দেয়ার সময় জামিনদার হবার আইনী বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে জামিনদারকে জানানোর দায়িত্ব ব্যাংকারদের।সবশেষ এই সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বেশ কিছু পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বলা হয়েছে

  • ঋণ নেয়ার কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জামিনদারকে জানতে হবে। একইসঙ্গে নেয়া ঋণ গ্রহীতা ফেরত দিতে পারবে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ।
  • ঋণ সংক্রান্ত চুক্তির শর্ত ভালো করে জেনে জামিনদার হতে হবে। 
  • সাদা কাগজে সিগনেচার করা যাবে না। 
  • ঋণগ্রহীতা যদি ঋণ পরিশোধ করতে না পারে তবে তার সঙ্গে জামিনদারও খেলাপি হবেন এবং তার সিআইবি রিপোর্টে প্রভাব পড়বে।
  • ঋণ গ্রহীতা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে জামিনদাতা তা পরিশোধে বাধ্য হবে। সেক্ষত্রে ওই পরিমাণ অর্থ দেয়ার সামর্থ্য আছে কি না তা ভেবে দেখা

লেখকের শেষ মতামত

এই ছিলো “অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন’’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, সকল ধরণের প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হয়েছে। সকল প্রশাসনিক পেশাদারদের অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবীদের লোন প্রদান করে থাকে তাই আপনিও চাইলে এই ব্যাংক লোন নিয়ে সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

আজকের এই “অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন’’ আর্টিকেলের সাহায্যে নিশ্চই অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন সম্পর্কিত বিভিন্ন জরুরি বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন। এরপরেও যদি আপনাদের অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে অথবা মতামত থাকে তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।

১ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত এর সুদের হার কত?

৮% থেকে ৯.৫%

অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন এর মাধ্যমে কত টাকা লোন নিতে পারবে?

৫ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত

অগ্রণী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবী লোন এর মেয়াদ কত?

১ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত

About Masum Siddique

Professional writer

View all posts by Masum Siddique →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *