অনেকেই লোন সম্পর্কে জানে কিন্তু অনলাইন মোবাইল লোন সম্পর্কে অনেকের কাছেই অজানা। অনেকেই অনলাইন মোবাইল লোন সম্পর্কে জানে না তাদের জন্য আজকেই এই পোস্ট। বাংলাদেশের অনেক সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক এবং অনলাইন মোবাইল লোন সেবা দেয়। যে ভাবে তাদের কাছ থেকে মোবাইল লোন নিবেন সেই সম্পর্কে এই পোস্টে তুলে ধরা হলো:
আমরা অনেকেই ব্যাংকের মাধ্যমে লোন নিতে হয় কিন্তু সেটা অনেক হয়রানির কাজ তাই ব্যাংকের মাধ্যমে লোন নিতে চায় না। কারণ ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে অনেক ঝামেলার সম্নুখীন হতে হয়। যেমন, বিভিন্ন ধরনের কাগজ পত্রের প্রয়োজন হয়, জামিনদার হতে হয় অনেকেই আরো ইনকাম সোর্স এক কথায় বিভিন্ন ধরনের তথ্যের প্রয়োজন হয়। এই জন্য অনেকই লোন নিতে পারে না। কিন্তু হাতের মোবাইল ফোন দিয়েও এই সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কোন সমস্যার সম্মুখীন হতেও হয় না।
তবে অনলাইন মোবাইল ফোন দিয়ে চায়লেই ইচ্ছে মতো লোন নিতে পারবেন না এটার একটা মেয়াদ থাকে। এই সকল লোনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম থাকে। যেমন, অনেক মোবাইল ব্যাংক আছে তারা ৩০ হাজারের বেশি দেয় না। যাইহোক, আপনাদের জন্য সহজ ভাবে বুঝানোর যায় এই জন্য নিচে কিছু বিস্তারিত তথ্য দেখে নিন। জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ ২০২৫
অনলাইন মোবাইল এর মাধ্যমে লোন নিতে হলে প্রথমে একটা নিদিষ্ট মোবাইল ব্যাংক বা কোন নিজস্ব ব্যাংক নির্ধারণ করতে হবে। এরপর ওই ব্যাংকের একটা মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপটি প্রথমে ওপেন করবেন তারপর প্রয়োজনী তথ্য দিবেন এই সব দেওয়ার পর একটা একাউন্ট তৈরি করতে হবে, তারপর লোনের জন্য অনলাইনে একটা আবেদন করতে হবে। আবেদন করতে হলে শর্তাবলী সম্পর্কে জানতে হবে।
অনলাইন থেকে মোবাইলের মাধ্যমে লোন নেওয়ার জন্য প্রথমে গুগল প্লে স্টোরে অনেক অ্যাপ আছে সেখান থেকে যেকোন এক অ্যাপের মাধ্যমে ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পযন্ত লোন নিতে পারবেন। তবে এর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য যোগ্য ব্যাংক রয়েছে তার মধ্যে বিকাশ, ই ঋণ, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এবি ব্যাংক এই সব ব্যাংক হলো অন্যতম যেমন সিটি ব্যাংক আছে তারা বিকাশের মাধ্যম অনলাইনে লোন দেয়।
তবে অনেক ব্যাংক আছে তাদের শর্ত অনেক রকমের হয়ে থাকে। যেমন; বিকাশের মাধ্যমে লোন নিতে গেলে বিকাশে অনেক পরিমানের টাকা লেনদেন করতে হবে এবং বিকাশে পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে। অনেক মোবাইল ব্যাংকিং সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা লোন দিয়ে থাকে আবার অনেকেই আছে ৫০ হাজার টাকা ও লোন দেয় এর বেশি ও দেয়। জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
বিকাশ লোন কি?
বিকাশ লোন হলো এমন এক ধরনের লোন যে মোবাইল বা সিটি ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন নিতে পারবেন। গ্রহকদের এই টাকা গুলো তার আগের টাকার সাথে মিলে জাবে তার একাউন্টে তখন সে যখন খুশি তখন তার একাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবে।
বিকাশ অ্যাপ থেকে লোন কীভাবে অনলাইন মোবাইল লোন নিবেন তার বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:
বিকাশ অ্যাপ থেকে : লোন নেওয়া জন্য প্রথমে বিকাশ অ্যাপ ওপেন বা লগ ইন করতে হবে। এরপর, হোম অপশনে ক্লিক করুন। তারপর নিচে থাকা Get Loan অপশনে ক্লিক করুন তারপর কত টাকা লোন নিবেন তার পরিমাণ দিন proceed অপশনে একটা চাপ দেন। এরপর সমস্ত তথ্য একবার করে দেখে নিন তারপর Proceed অপশনে চাপ দেন। এখন, Accept বাটনে ক্লিক করেন এবং আপনার বিকাশ পিন নাম্বার টি দেন Get বাটনে চাপ দেওয়ার সাথে সাথেই আপনার একাউন্টে টাকা চলে আসবে।
মূলত এই সব পদ্ধতিতে লোন পদান করা হয়। আগের বলা হয়ছে এই লোন কিন্তু বিকাশ নিজে দেয় না এই সব লোন দেয় সিটি ব্যাংক বিকাশের মাধ্যমে লোন দেয়। কিন্তু বলা হয়ছে যে বিকাশ সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা লোন দিতে পারে। কিন্তু সবাই ২০ হাজার টাকা লোন পাবে সেটা কিন্তু না। আপনি কত টাকা লোন নিতে পারবেন সেটা নির্ভর করে সেই পতিষ্ঠানের উপর। যেমন বিকাশ থেকে অনেক মানুষ আছে যে তারা সর্বোচ্চ ৫/৬ হাজার টাকা লোন নিতে পারে আবার অনেকেই আছে ২০ হাজার টাকা ও ১০ হাজার টাকা লোন নিতে পারে। জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
আরও পডুন>>> পূবালী ব্যাংক গাড়ি লোন ২০২৫ (আপডেট)
বিকাশে লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে কি কি শর্ত রয়েছে। যেমন; চায়লেয় বিকাশ থেকে লোন নেওয়া যায় না। বিকাশ থেকে লোন নেওয়া জন্য সঠিক ব্যবহারকারী হতে হবে৷ বিকাশ টাকা লেনদেন করতে হবে বেশি বেশি তাহলেই আপনি লোন নিতে পারবেন। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট বা সেন্ডমানি করতে হবে বেশি বেশি আর বিকাশে টাকা রাখতেই হবে। বিকাশে টাকা যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকতে হবে। নিয়মিত টাকা লেনদেন করলে তাহলে আমি বিকাশ থেকে লোন নিতে পারবেন। এই থেকে বুঝা যায় যে চায়লেই সবাই বিকাশ থেকে টাকা নিতে পারবে না।
আপনি যদি লোন নেওয়ার জন্য উপযুক্ত কি না সেটা বোঝার উপায় হলো যখন আপনি অপশনে চাপ দিবেন তখন আপনাকে লোনের পরিমাণ দেখানো হবে। আপনি যদি লোন না নিতে পারেন তাহলে আপনার কাছে একটা মেসেজ আসবে সেই মেসেজে লেখা থাকবে তা দেখে নিন, দুঃখিত এই মূহুর্তে লোন পাওয়ার জন্য আপনাকে বিবেচনা করা হচ্ছে না। লোন পেতে বেশি বেশি অ্যাড মানি এবং পেমেন্ট সেবা বেশি বেশি ব্যবহার করুন ধন্যবাদ বিকাশের সাথেই থাকেন। তাহলে বুঝে নিবেন যে আপনি লোন পাওয়ার জন্য উপযুক্ত না তাই লোন পাবেন না। জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
বিকাশ অনলাইন মোবাইল লোন পাওয়ার যোগ্যতা
নিচে বিকাশ লোন পাওয়ার যোগ্য সম্পর্কে জানানো হলো ;
১. সর্বপ্রথম আপনাকে বিকাশ গ্রাহক হতেই হবে।
২. একটি বৈধ জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
৩. বিকাশ নিয়মিত লেনদেন করতে হবে। বিশেষ করে পেমেন্ট ও অ্যাড মানি করতে হবে বেশি বেশি ।
এই গুলো মেনে চলতে পারলেই আপনি লোন নেওয়ার মতো উপযুক্ত যোগ্য ব্যাক্তি হয়া উঠবেন। লোন তো নিবেন ঠিক আছে কিন্তু লোন পরিশোধ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
বিকাশ লোনের ধরণ
বিকাশ লোনের কোন ধরন হয় না। আপনি বিকাশ থেকে লোন নিয়ে যেকোনো কাজ করতে পারবেন সেটা ব্যাক্তি গত আপনার ইচ্ছে ।
১.ব্যাক্তিগত কাজে
২.পড়াশোনার কাজে
৩.ব্যবসার কাজে বা কৃষি কাজে সেটা আপনার ইচ্ছে।
এই টাকা আপনার আপনির যা ইচ্ছে তাই করতে পরবেন আপনি কি করবে সেটা আপনার ব্যাপার এতে বিকাশের কোন কিছু যায় আসে না।
বিকাশ লোন লিমিট/বিকাশ লোনের পরিমাণ
সিটি ব্যাংক বিকাশের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা লোন নেওয়া যায়। তবে সবাই ৩০ হাজার টাকা পাবে না। এক গ্রাহক কত টাকা লোন নিতে পারবে সেটা বিকাশের উপর নির্ভর করে চাইলেই কেও বেশি টাকা নিতে পারবে না। বিকাশ গ্রাহকের যোগ্যতা বা তর একাউন্টের লেনদেন এর উপর সবটুকু নির্ভর করে।
বিকাশ লোন পরিশোধের নিয়মাবলি
বিকাশ গ্রাহক যদি তার ঋণ পরিশোধ করতে চায় তাহলে তর নিজের একাউন্ট দিয়াও পরিশোধ করতে পারবেন অথবা যেকোন এজেন্ট এর মাধ্যমে লোন পরিশোধ করতে পারবেন কোন সমস্যা নাই। একজন গ্রহক যদি চায় তার নিদিষ্ট তারিখের আগেয় তার ঋণ পরিশোধ করবে তাহলে তর প্রতি বিকাশের আরো ইন্টারেস্ট বারবে এবং সুদের হার কমে যাওয়া সম্ভব না বেশি থাকবে। যদি আপনি নিদিষ্ট সময়ে পরিশোধ না করতে পারনে তাহলে আপনার ওই টাকার পরিমাণ উনোজায়ি আপনার টাকা উপড়ে বাৎসরিক ২% বিলম্ব ফি দরবে।
অনলাইন মোবাইল লোন (বিকাশ) কারা পাবে
এটি সম্পূর্ণ বিকাশ পতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করে থাকবে। শর্তে মতো যারা বিকাশের নিয়মিত গ্রাহক যারা অ্যাড মানি বা পেমেন্ট বেশি বেশি করে তাদের জন্য বিকাশ লোনের সুযোগ দেয়।
বিকাশে লোন নেওয়া জন্য অবশ্যয় তথ্য হালনাগাদ করতে হবে। অনেকই আছে সব কিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও লোন পায় না সবটুকু বিকাশের উপর নির্ভর করে।
বিকাশ লোন ফরম :
বিকাশ লোনের জন্য কোন ফরম বা কোন হালনাগাদ তথ্য প্রয়োজন নাই। বিকাশ থেকে লোন নিতে হলে কোন ফরম লাগবে না। বিকাশ অ্যাপ তেকেয় আবেদন করলেয় লোন নেওয়া যায়। শুধু তাই নয় বিকাশ থেকে আপনি যদি লোন নিতে চান তাহলে কোন রকমের কাগজপত্রেও প্রোয়জন নেই কোন ব্যাংক একাউন্ট ও লাগবো না।
বিকাশ লোন আবেদন ফ্রী?
বিকাশে লোনের জন্য আবেদন করার সাথে সাথেয় লোন পাবেন। এরজন আপনার লোনের উপর ব্যাংক প্রসেসিংন ০.৫৭৫%(০.৫+ ভ্যাট) অর্থাৎ আপনি যদি ৮০০০ হাজার টাকা লোন নেন তাহলে ব্যাংক আপনাকে প্রসেসিল ফি ক হিসেবে ৪৬ টাকা কেটে নিবে।
বিকাশ দিয়ে ১০ হাজার টাকা ঋণ পাওয়ার নিয়ম
বিকাশ দিয়ে ১০ হাজার টাকা ঋণ: পাওয়ার জন্য আপনার বিকাশ হোম পেস থেকে লোন অপশনে একটা চাপ দেন তারপর Get Loan অপশনে একটা চাপ দেন তারপর আপনার লোনের পরিমাণ দিতে হবে অর্থাৎ আপনি লোনের পরিমাণের যায়গায় আপনি আপনার ১০,০০০ হাজার টাকা বসাতে হবে। এরপর proceed অপশনে চাপ দিলেয় হবে। সর্বশেষ, Accept বাটনে ক্লিক করেন তারপর বিকাশ পিন নাম্বার টা দেন Get বাটনে চাপ দিলেয় সাথে সাথে আপনার বিকাশে টাকা চলে আসবে।
বিকাশ লোন বন্ধ কেন?
অনেকে বিকাশ থেকে লোন নিতে পারে তার কারণ হলো বিকাশের কিছু শর্ত বা নিয়ম আছে যা মেনে চলেতে পারে বলেয় লোন পায় না। আগেয় বলা হয়ছে যে বিকাশে লোন নেওয়ার জন্য বিকাশের বেশি বেশি লেনদেন করতে হবে তাহলে সেন বিকাশ লোন দেয় যদি বিকাশ লোন নিতে চান তাহলে বিকাশে শর্ত গুলো মানতে হবে তাহলেই লোন পাবেন।
যদি কেও বিকাশ এর তথ্য হালনাগাদ করতে বিকাশ অ্যাপের হোম পেজের ডান পাশে বিকাশ আইকনে ক্লিক করতে হবে। তারপরে Information Update অথবা বাংলায় ” তথ্য হালনাগাদ” অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর NID Cad এর সামনের এবং পিছনে ছবি তুলতে হবে। ছবি তুলে পরবর্তী বাটনে চাপ দিন। এরপর NID Card অনুযায়ী মালিকের একটা ছবি তুলতে হবে ছবি তোলার সাথে সাথেয় হালনাগাদের জন্য তর আবেদন হয়া যাবে।
বিকাশ টিম আপনার হালনাগাদ গুলো যাচাই করে ১ থেকে ১.৫ মাস পর আপনাকে লোন দেওয়া সুযোগ করে দিবে। শুধু যে তথ্য হালনাগাদ করলেই হবে আপনার বেশি বেশি লেনদেন করতে হবে তাহলেই আপনাকে লোন দিবে।
বিকাশ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে 16247 এই নাম্বারে ফোন বা কল দিতে পারেন।
ঢাকা ব্যাংক লোন/ ই ঋণ ঢাকা ব্যাংক লোন
এখন আলোচনা করবো আপনি কীভাবে৷ ঢাকা ব্যাংক থেকে eRin অ্যাপের সাহায্যে যেকোনো ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে লোন নিবেন সেই বিষয়ে নিছে কিছু প্রশ্ন উত্তর দেওয়া আছে সেই গুলো দেখেন।
ই-ঋণ (e-Rin) কি?
ই ঋণ হচ্ছে ইনস্টয়ান্ট লোন বা দ্রুত পার্সোনাল লোন যা আপনাকে ঢাকা ব্যাংক দিবে। এই সাহায্য নিয়ে আপনি আপনার ইচ্ছে মতো আপনার ব্যাক্তিগত কাজ করতে পারেন সেটা আপনার একান্তই ব্যাপার। এই সুযোগ দিচ্ছে dhakankltd ।
e-Rin একটি অনলাইন অ্যাপ। এই অ্যাপের সাহায্যে ঢাকা ব্যাংক থেকে সর্বনিম্ন ১ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেওয়া যায়। এখানে তিন থেকে ছয় মাস মেয়াদি লোন নেওয়া যায়। এখান থেকে লোন নিতে কোন প্রকার কাগজপত্র ঝামেলা থাকে না। তবে এখান থেকে লোন নিতে হলে অবশ্যই ঢাকা ব্যাংকে একটি একাউন্ট থাকতে হবে।
e-Rin নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
e-Rin এর আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তথ্যাদি নিচে দেওয়া হল:
- একটি বৈধ জাতীয় পত্র
- বেতনের স্লিপ
- ব্যাংক একাউন্টে সর্বশেষ তথ্য
হোল্ডিং ট্যাক্স, পাসপোর্ট, ইলেকট্রিক,গ্যাস, পানি বিল তাদের মধ্যে যেকোনো একটি প্রয়োজন এবং একটি সেলফি আপলোড করতে হবে।
ইমারজেন্সি লোন/ Emergency loan Bangladesh
সমাজ কিস্তিতে বাংলাদেশে ইমারজেন্সি লোন বা লোন নিতে Baksh ও e-Rin এতে সাহায্য নিতে পারেন। এখানে খুব বেশি শর্ত ছাড়াই আপনি ৫ হাজার থেকে শুরু করে যত ইচ্ছা লোন নিতে পারেন। যাইহোক বাংলাদেশ সরকার ভবিষ্যতে আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অনলাইন লোন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে সেবা চালু হওয়ার সাথে সাথে আমরা বিস্তারিত নিয়ম কানুন নিয়ে আলোচনা করব। আমাদের সাথেই থাকুন।
অনলাইনে ৫০০০ টাকা লোন
বর্তমান সময়ে পাঁচ হাজার টাকা লোন পাওয়া যায় Baksh এবং e-Rin অ্যাপ থেকে। এই দুটি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ গুলো ডাউনলোড করে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে প্রথম একটি অ্যাকাউন্ট করে নিতে হবে। লোন নেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি ধাপ পাড়ি দিতে হবে তারপর লোনের জন্য আবেদন করতে হবে। মোবাইল ব্যাংকিং থেকে লোন নিতে হলে বেশ কয়েকটি শর্তের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। আপনি কি শর্ত থাকে তা সম্পর্কে ইতিমধ্যে আলোচনা করা হয়েছে।
অনলাইন মোবাইল লোন নেওয়ার সুবিধা
- অনলাইনে আবেদন করলে আপনি খুব দ্রুত লুন পেতে পারেন। এখানে বাড়তি কোন ঝামেলা নেই।
- এটি অত্যন্ত সুবিধা জনক আপনি ঘরে বসেই এই সুবিধাটি নিতে পারেন।
- এখানে বিকল্প রয়েছে তাই আপনি আপনার সুবিধামতো অ্যামাউন্ট নির্ধারণ করতে পারেন।
- এখানে সুদের হার তুলনামূলক অনেক কম
অনলাইন মোবাইল লোন পাওয়ার সহজ উপায়
আজকাল অনলাইন থেকে লোন নেওয়া খুব সহজ হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি সহজেই লোন নিতে পারেন।
অনলাইন মোবাইল লোন পাওয়ার জন্য যা যা করতে হবে:
১. লোন ওয়েবসাইট বেছে নিন।
প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে এবং সেখানে একটি একাউন্ট করতে হবে।
২. আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।
ওয়েবসাইট নির্বাচন করার পর একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়। আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হয় যেমন আপনার নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি।
৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন।
সময় সাপেক্ষে কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে যেমন আয়ের প্রমাণ আপনার কর্মস্থলের পরিচয় পত্র ব্যাংক লেনদেনের ফটোকপি ইত্যাদি।
৪. আবেদন পত্র জমা দেওয়া।
সব কিছু পূরণ করার পর আপনি আপনার আবেদন পত্রটি জমা দিতে পারেন।
৫. আবেদন যাচাই।
আপনার আবেদন পত্রটি জমা হয়ে গেলে। নির্ধারিত প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদনপত্র টি যাচাই-বাছাই করবেন। তারপর, তাদের কাছে আবেদন পত্রটি যোগ্য মনে হলে তারা আপনাকে লোন প্রাপ্তির জন্য যোগ্য বলে বিবেচনা করবে। এখন আপনি অনায়েসেই লোন পেয়ে যাবেন।
FAQ.
বিকাশ থেকে কি একসাথে দুইবার লোন নেওয়া যায়?
না দুইবার লোন নেওয়া যায় না। আপনি চাইলে একটি লোন নেওয়ার পর সেটি পরিশোধ করে পরবর্তীতে আরেকটি লোন নিতে পারেন।
বিকাশে লোন নিতে গেলে কি কি লাগে?
বিকাশে লোন নিতে গেলে তেমন কিছু প্রয়োজন হয় না। আপনার একটি বৈধ বিকাশ একাউন্ট এবং নিয়মিত লেনদেন প্রয়োজন।
রেপিড ক্যাশ অ্যাপ সর্বোচ্চ কত টাকা লোন দেয়?
রেপিড ক্যাশ অ্যাপ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন দেয়।
মোবাইল লোনে অনলাইন সুদের হার কেমন?
মোবাইল লোনে অনলাইনে সুদের হার সর্বনিম্ন।
কি কি কারনে অনলাইন লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হতে পারে?
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঝামেলা থাকলে এবং লেনদেনের ইতিহাস খারাপ থাকলে।
অনলাইন মোবাইল লোনের সারসংক্ষেপ
আশা করি উপরুক্ত আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি অনলাইন লোন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এই আর্টিকেলটিতে দুইটি অ্যাপের কথা বলা হয়েছে এখান থেকে আপনি খুব সহজে লোন নিতে পারবেন। সম্পর্কিত আরো কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের এখানে কমেন্ট করতে পারেন। ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকুন।